যুক্তরাজ্যে গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ বাজারজাত করার অনুমোদন পেয়েছে রেনাটা

ওষুধ খাতের কোম্পানি রেনাটা পিএলসি যুক্তরাজ্যের বাজারে এসোমেপ্রাজল ২০ মিলিগ্রাম ও ৪০ মিলিগ্রাম গ্যাস্ট্রিকের ট্যাবলেটের বিপণন অনুমোদন (এমএ) পেয়েছে।

ওষুধ খাতের কোম্পানি রেনাটা পিএলসি যুক্তরাজ্যের বাজারে এসোমেপ্রাজল ২০ মিলিগ্রাম ও ৪০ মিলিগ্রাম গ্যাস্ট্রিকের ট্যাবলেটের বিপণন অনুমোদন (এমএ) পেয়েছে। যুক্তরাজ্যের ওষুধ নিয়ন্ত্রক সংস্থা মেডিসিনস অ্যান্ড হেলথকেয়ার প্রডাক্টস রেগুলেটরি এজেন্সি (এমএইচআরএ) থেকে এ অনুমোদন দেয়া হয়ছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে গতকাল এ তথ্য জানা গেছে।

তথ্যানুসারে, যুক্তরাজ্য অত্যন্ত নিয়ন্ত্রিত ওষুধের বাজার হিসেবে পরিচিত। অনুমোদনের ফলে দেশটিতে রেনাটা উৎপাদিত গ্যাস্ট্রিকের ওষুধটি বাজারজাত করার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) রেনাটার শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৬ টাকা ৪৭ পয়সা, আগের বছরে যা ছিল ৫ টাকা ১৯ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৩১২ টাকা ১ পয়সায়।

সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৫৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে রেনাটার ইপিএস হয়েছে ১৯ টাকা ৩৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩১ টাকা ৫৩ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩০৫ টাকা ৪৯ পয়সায়।

সমাপ্ত ২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৯২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে রেনাটার পর্ষদ।

আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৩১ টাকা ৫৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২০ টাকা ৪০ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৯৫ টাকা ৫৬ পয়সায়।

সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৬২ দশমিক ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে রেনাটার ইপিএস হয়েছে ২০ টাকা ৪০ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪৪ টাকা ৫৬ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৬৬ টাকা ৮৭ পয়সায়।

রেনাটার সর্বশেষ সার্ভিল্যান্স রেটিং দীর্ঘমেয়াদে ‘‌ট্রিপল এ’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘‌এসটি ওয়ান’। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৪-২৫ হিসাব বছরের তৃতীয় প্রান্তিকের (জানুয়ারি-মার্চ) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং ৭ অক্টোবর ২০২৫ পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য গুণগত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এ প্রত্যয়ন করেছে আলফা ক্রেডিট রেটিং পিএলসি (আলফা রেটিং)।

১৯৭৯ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত রেনাটা পিএলসি ১৯৭২ সালে মার্কিন ওষুধ জায়ান্ট ফাইজারের একটি কোম্পানি হিসেবে বাংলাদেশে যাত্রা করে। ১৯৯৩ সালে ফাইজার স্থানীয় শেয়ারহোল্ডারদের কাছে তাদের মালিকানা বিক্রি করে চলে যায় এবং কোম্পানির নাম ফাইজার (বাংলাদেশ) লিমিটেডের বদলে হয় রেনাটা লিমিটেড। বর্তমান নাম রেনাটা পিএলসি। কোম্পানিটির অনুমোদিত মূলধন ২৮৫ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১১৪ কোটি ৬৯ লাখ ৬০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৩ হাজার ৩৯১ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১১ কোটি ৪৬ লাখ ৯৬ হাজার ৪৯০। এর ৫১ দশমিক ২৯ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ২২ দশমিক শূন্য ৪, বিদেশী বিনিয়োগকারী ১৮ দশমিক ৭২ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৭ দশমিক ৯৫ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

আরও